এলোমেলো ভাবনা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
এলোমেলো ভাবনা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১১

এলেমেলো ভাবনা ,ও মাঝরাত্তিরে নিজের অতীত হিসাব নিকাশ-৩


মাঝে মাঝে মাঝ রাত্তিরে মনে হয় এত দিন পর্যন্ত কি করলাম বা কি পেলাম না কি হারালাম তার হিসাব নিকাশ করতে বসি ।কিন্তু এতে নিজের ই কিছুটা ভয় থাকে যে এই হিসাব নিকাশ কি এই একরাতে শেষ করতে পারবো নাকি এর আগেই ভোর হয়ে যাবে ।অতবর আরক্ত চোখে আমার শুভ্র বিছানায় গা টা এলিয়ে দিব। হুম এরকম ই হয় ।কারণ জীবনের হিসাব নিকাশ এর অংশ বের করলে যেটার হার সবচেয়ে বেশি ভাবে প্রকাশ হয়ে আসে সেটা হল নির্মমতা ।
নির্মমতা ,এটা জীবনের একটা অবিছেদ্য একটা অংশ ।তবে ননীর পুতুল যারা কিংবা সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্ম নেয়া কি তা জানি না ,তবে জীবনে চাওয়া পাওয়ার যা ছিল তা কোনদিন অপূর্ণ থাকে নি । আর আমার সেমন কোন আকাশ সম চাওয়াও ছিল না। মফস্বলে বড় হওয়াতে চারপাশে যা দেখতাম তা মোটামোটি সবই সাধ্যের মাঝে ছিল ,তবে একটা চাওয়া ছিল যেটা আজও পূর্ণ হয়নি সেটা হল-আমার প্রাইমারী বৃত্তি পেলে আম্মুর দেয়া প্রতিজ্ঞা পুরণ না করা ।
ক্লাস ফাইভ এর বৃত্তি পেলে আম্মু বলেছিল সাইকেল কিনে দিবেন ।সেটা আজও পাইনি ।এটার জন্য আমার ছোটো মনের অভিমান অনেক দিন ধরেই ছিল যেন গাল ফুলানো স্বভাব এর মত ।অবশ্য এই এখন এটা লেখছি যে এখন ও আম্মু আমার পাশেই আছেন তবে কেনো দেননি সেটার যুক্তি যুক্ত কারণ আমিও কোনদিন জানতে চাই নি । তবে মোটামোটি চালাতে পারি । এ নিয়ে আমার অভিজ্ঞতাও খুব ভালো নয়।
একবার এক বড় ভাই এর সাইকেল অনেক প্যান প্যান করে ধার নিলাম ,তখন মনে হয় ক্লাস ফোর বা ফাইভে পড়ি । বিকেলে খেলতে বেড়িয়েছি ।সেই ভাইয়া আমার এক বছরের সিনিয়র ছিলেন মনে হয় ।যদ্দুর মনে পড়ে। একটু মোটাসোটাও ছিলেন ,তো আমি অনেক বায়না করে উনার থেকে সাইকেল টা নিয়ে মাঠে চড়াতে নিয়ে গেলাম । একটু আমার হাইট থেকে বড় ছিল ,যেখানে চালাচ্ছিলাম সেখান টা মাঠ বলবো না মোটামোটি ছোট খাটো ঝোপ ঝাড় নিয়ে কিছু জায়গা ,আমাদের কলোনীর ছেলেরা খেলতো আরো বড় মাঠে।
আমার হঠাৎ করে সাহস বেড়ে গেল ভাবলাম একটু রাস্তায় চালিয়ে দেখিই না কি হয়। রাস্তায় নিয়ে উঠলাম ভালোই চালাতে জানতাম খালি জানতাম না ব্রেক এর ব্যবহার টা ভালো করে কোথায় কোনটা ব্যবহার করতে হয় ।ফলাফল সাইকেল সহ আমি পুরোই চিৎপটাৎ । আর পড়বি তো পড় একেবারে রাস্তার ইট সুড়কি দিয়ে ত্তৈরি মজবুত প্লাস্টার এর উপর পুরো ঘষা খেয়ে ।
মনে আছে হাটু পুরো ছুলে গিয়েছিল ।ব্যথায় অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলাম ।
এরপর সেই ভাইয়া থেকে আর সাইকেল চাইতে সাহস পাইনি (আপসুসের ইমো)
এখন ও সাইকেল বা হোন্ডা র কিনার ভুত মাথায় চাপলে আম্মু সেই এক্সিডেন্ট এর কথা মনে করিয়ে দেন
ও হ্যা একটু আগে আম্মু কে ডেকে জিজ্ঞেস করলাম যে কেনো আমাকে সাইকেল কিনে দাও নি ।তখন আম্মুর কথা শুনে মনে হল আসলে নাকিনে দিয়েই ভালো করেছে ।কারন এরপর কুমিল্লা জিলা স্কুলে ভর্তি হয়ে যাওয়াতে আর সাইকেল চালানোর মত অবস্থা ছিল না। আর সাইকেল যাতে কিনার কথা না তুলতে পারি এই জন্য আম্মু নাকি স্কুলের কাছে বাসা নিয়েছিলেন । এত্তো চালাকি আজকে জানলাম হায়রে ...............
আবার ও লাইন চ্যুত লিখতে বসেছিলাম নির্মমতা নিয়ে নিয়ে গেল নস্টালজিয়ায় ,যাই হোক সিরিজ যেহেতু চলছে সেহেতু আর কোন একদিন হবে, মাথায় পড়ে রইলো ।
ভালো থাকবেন সবাই ।

শনিবার, ৮ অক্টোবর, ২০১১

এলোমেলো ভাবনা, সেই সাথে পড়ন্ত বিকেলে নিজের অতীত জীবন রোমন্থন ও আমার ছোট্ট বেলায় পুজা দেখা-২


এটা লিখার কথা আগেই ছিল কিন্তু লেখা হয়নি হয়তো এইদিনের অপেক্ষায় ছিলাম । সেই ছোটো বেলায় থেকেয় স্কুল এ পড়ার সময় নিজের ধর্মের পাশাপাশি অন্য ধর্ম সম্পর্কে জানার একটা আলাদা ফ্যাসিনেশন ছিল ,যেটা এখন ও হয়তো কাজ করে (হয়তো কারণ ইদানিং সেরকম সময় আর সুযোগ আসলে হয়ে উঠে নি)তবে মনে আছে এখন ও নতুন ক্লাসে উঠার আগেই আব্বু বাসায় বই এনে রাখতো তাই ইসলাম ধর্মের সব জীবন চরিত আগেই পড়া হয়ে যেত ,এমন ও হয়েছে ক্লাস ২ এর পড়া ফেলে আমি ক্লাস থ্রী এর বই নুহ (আঃ) এর জীবনী লুকিয়ে লুকিয়ে বই এর নিচে পড়ছি ।যাই হোক মনে পড়ে ক্লাস ফোর এ থাকতে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র বা এরকম কোন কিছুর একটা কর্মসূচী ছিল যে বাচ্চাদের বই পড়তে দেয়া হবে এরপর তারা পড়ে ফেরত দিবে জাস্ট ফীড ব্যাক দেবার মত ,আমি আমার ফ্রেন্ড দের সাথে চুক্তি করতাম যে আমি কবিতার বই পেলে তাদের সাথে চেঞ্জ করে নিবো । আমাদের ক্লাসে সবার কাছে মজার মজার বই ই পড়তো হঠাৎ খবর পেলাম ক্লাস থ্রী এর ছোটো ভাই অভিজিৎ একটা বই পেল সেটা হল ছোটো দের মহাভারত।কমিক্স এ আকা অনেক সুন্দর ছিল বই টা আমি বাসায় এনে লুকিয়ে লুকিয়ে পড়তে গিইয়ে ধরা খাই এরপর আবার ফেরত দিয়ে আসতে হয় সেই বই আর পড়া হয়নি পুরোটা তবে এখন ব্লগার দীপান্বিতা এর পোষ্ট প্রায়ই পড়ি ।

এই যে এক প্রসঙ্গ শুরু করলে আবার লাইনচ্যুত হয়ে যাই ,আমার স্বভাবজাত এটা। স্কুলে যাবার পথে খাসিয়া পট্টি পড়তো । প্রায় ই দেখা যেত যে কুকুর এর ভয়ে বা দৌড়ানি খেয়ে স্কুল এ পৌছাতাম ।কুকুরের অনেক ভয় ছিল,একজন স্যার এর বাসা ছিল এই খাসিয়া পট্টিতে তার কথা শুরু করলে এখানে আর শেষ করা যাবে না আসলেই একজন মানুষের জীবনে শিক্ষক এর অবদান অনেক তা স্বীকার করে উপায় নাই । অনেক আদর করতেন আমাকে।
সবচেয়ে মজার হত পুজার সময়কার মেলা গুলো । আর দুর্গা পুজার সময় আসলেই তো আর কথাই নেই যেদিন থেকে মাটি কাই করা শুরু করতো সেদিন থেকে আমার ডিউটি ছিল যে কিভাবে মূর্তি বানায় তা দেখা । নিয়ম করে দুই বেলা, সকালে স্কুল এ যাবার পথে একবার আর আসার পথে একবার কিভাবে মূর্তি বানায় তা দেখা ,এই চোখের সামনেই যেন একদলা কাই থেকে কি সুন্দর মূর্তি হয়ে যেত দেখতে দেখতে টের ই পেতাম না।
মন্দির এ ভিতরে যাওয়া নিষেধ ছিল তাই যেতে পারতাম না আসলেই হয়তো কেউ ই যেতে পারতো হয় তো তাদের পুরোহিত রা ছাড়া ।সবচেয়ে সুন্দর লাগতো যেদিন রঙ করা হত এভাবে চোখের সামনেই মূর্তি তৈরি হত ার আমরা দেখতাম ।সকালে দেখতে গেলে প্রায় ই প্রসাদ খেতে দিত।আমার অনেক প্রিয় ছিল এগুলো এখন কেউ দেয় না এসব । এগুলো দিতে দেরি নেই আর আমার খেতে দেরি নেই সাথে সাথে খেয়ে ফেলতাম।

দশমীর রাতে আব্বু সহ থানার সব আঙ্কেল দের ই দাওয়াত থাকতো আমরা যেতাম আবার আব্বুর সাথে সেখান কি কি যেন খেতে দিত খেয়াল নাই তবে অনেক মজার হত সেদিন এক বন্ধুর ভাই এর ছেলের মুখেভাত এ খাবার এ সময় সেই পুরোনো স্বাদ পেলাম মনে হয় আবার ।

মেলাটা হত সবচেয়ে মজার কত কিছু যে কিনেছি বৈশাখি মেলার কথাও মনে নেই তবে এই পুজোড় মেলার কথা অনেক মনে পড়ে একবার এক বান্ডিল লুডুর বোর্ড কিনে এনেছিলাম আব্বু আম্মু পুরো অবাক এক বান্ডিল দিয়ে কি হবে আমি বললাম কি হবে আর খেলবো একটা নষ্ট হলে আরেকটা বের করবো সেই প্রথম সেট ই এখন ও আছে বাকি গুলো মনে হয় আম্মু সিলেট থেকে কুমিল্লা শিফট করার সময় বাকিদের দিয়ে এসেছিলেন ।দাবাটা কিনা হল না আফসুস এই জন্য মনে হয় এখন ও দাবা খেলাটা পারি না ।দুঃখের আর কোন সীমা নেই ।

বৃহস্পতিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১১

এলোমেলো ভাবনা ,সেই সাথে নিস্তব্ধ দুপুরে নিজের সাথে কথোপকথন -১




মাঝে মাঝে মনে হয় । এই পৃথিবীর চলতে যে সময় এর উপর নির্ভর করে , তা থেমে গেছে তখন ভয় হয় ,কারণ সময় তো থামতে পারে না । অন্তত বিজ্ঞানী এবং সাহিত্যিক তারা নিজ নিজ ভাষাতেই তাই বলেন ,এই সময় টা বড়ই ভয়ঙ্কর। মনে হয় যেন কেন যে কাটে না ।আমার মাঝে মাঝে এরকম ই মনে হয় । এটা এখন না সেই ছোটো থেকেই ।
যেমন ছোটো দুপুরে ভাত খাবার পর মনে হত কখন বিকাল হবে আর আমি বাইরে খেলতে যাবো , আম্মু হয়তো পড়া দিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে ,আর আমি কিভাবে আজকে ছক্কা মারবো তমুখ এর বলে তার প্রাক্টিস করছি বাসায় আমার রুমে বসে ।ভাব এমন যেন আজকে আমি একাই সব ছক্কা মারবো। অবশ্য খেলতাম বড়দের সাথে তাই সর্বশক্তি দিয়ে মারলেও দেখা যেত গালিতে আমাদের মুশফিকদের মত ক্যাচ তুলে দিয়েছি ।হা হা হা। তবে একদিনের কথা খুব মনে পড়ে , সেদিন ছিল আমার সেই ছোটো বেলার মফস্বলে শেষ বিকেল সেদিন বড় ভাই রা আমকে ৩ বার লাইফ দিয়ে ছিলেন , শেষের দিকে একটা দুর্দান্ত সিঙ্গেল নিয়ে জয়েও অবদান রেখেছিলাম ।সেই ছোটো দিনের পিচ্চি ইভান ……… ক্লাস ফাইভে পড়লেও তার বয়স ছিল মাত্র সাড়ে আট । আর মনে হচ্ছে এই তো কয়দিন আগেই সেই দিন টা গেলো ।

কয়েকদিন আগে সেই এলাকার পাশ দিয়ে জাফলং যাচ্ছিলাম ,ভাবছিলাম জীবন টা কত বিচিত্র এই সিলেটের মাটিতেই আমাকে পুরোপুরি বড় হতে হল । সে আমাকে আর কোথাও যেতে দিল না। সেই জৈন্তাপুর এর দিন গুলি অনেক মিস করি ।

হা হা ,কথার খেই হারিয়ে ফেলছি লিখতে বসেছিলাম অন্যএকটা ব্যাপার নিয়ে হয়ে গেলো স্মৃতিচারণ ,আসলে হা……….. মনে পড়েছে ।সামনে অনেক বড় একটা কাজের চাপ আসছে সেই কাজের ফাকে ফোকরে এদিক সেদিক উকি মারতেই আজকের এই নিস্তব্ধ হরতাল এর দুপুর হাজির. মনে হচ্ছে সেই ছোটো বেলার দিন গুলোর কথা সেখানে পড়ার টেবিলে পাশেই দেখা যেত বিশাল এক আমগাছ বছর বছর গ্যাপ দিয়ে তাতে মুকুল আসতো ,যখন মুকুল আসতো তখন যে কি মজা লাগত সারাদিন একা একা মুকুল গুলোর সাথেই গল্প করতাম । ওদের ছোটো থেকে বড় হতে দেখতাম আর বড় হয়ে যখন আম হল তখন বাইরে থেকে পিচ্চি গুলো এসে ঠিল ছুড়তো ওগুলো পাড়ার জন্য তখন কষ্ট লাগতো ,যে কেন ওদের গাছে থাকতে দেয় না ওই ছেলে গুলোর সমস্যা কি !!! যদিও গাছ টা আমাদের কোয়ার্টার এর পিছনের দিকে ছিল (খুব সম্ভব পানি উন্নয়ন এর অফিস এরিয়ায়)একদিন তো ছেলে গুলোর সাথে আমার বাসার দোতলা থেকে ঝগড়াই শুরু করে ফেলেছিলাম ,তারপর দেখি তারা আমার দিকে তাক করে জানালা বরাবর ঠিল ছুড়ছে ,আমি তো জানি শুধু একটা গালি আম্মু তোমাকে পচা ছেলে বলবে ,যাই হোক পরে আম্মু এসে বকা দিয়ে জানালা টাই মনে হয় বন্ধ করে দিয়েছিল । আর আমি আমার সেই দুর্ভাগ্য বরন করে নেয়া আম গুলোর জন্য কান্না করছিলাম ,খুব কষ্ট হয়েছিল সেদিন ,এখন ও মাঝে মাঝে নিজেকে এভাবেই প্রবোধ দেই যে যখন খুব প্রিয়জন এভাবে ছেড়ে চলে যেতে যায় তাকে চলে দিতে হয় হয়তো এটাই লেখা ছিল দুই জনের নিয়তিতে ………….


শিশুকাল সুলভ বাচ্চামির টা এখন ও আছে , যেমন এখন ও দোকানে গেলে খেলনা গাড়ি দেখলে অনেক অনেক খুটিয়ে দেখি কল্পনা করি যেন আমি খেলছি ,গতকাল ভার্সিটির জন্য বাসের অপেক্ষা করতে গিয়ে একটা খেলনা দোকানের পাশে দাড়িয়ে ছিলাম   একটা খেলনা ডবল ডেকার এর দেখে খুব পছন্দ হয়ে গেলো  দাম ও দেখলাম অনেক কম কিনতে ইচ্ছে হল ,যেন আমি বাসায় নিয়ে খেলবো ….এরকম উদ্ভট চিন্তা ভাবনা থেকে হঠাৎ আমার কানের কাছে একটা আওয়াজ এলো ……………..ভো ভো ভো …………যেন কে যেন বাস টা নিয়ে খেলছে । হঠাৎ সম্বিত ফিরে পেলাম কারণ আওয়াজ টা করছি আমি কেউ শুনতে পারলে নেহাত আমাকে পাগল ঠাউরে বসবে ……………পুরোই নিজের মাঝে একাধিক সত্তার উপস্থিতি ……

যাই হোক এখন এখানে পাগলামি বন্ধ করি ……….এমনিতেই অনেক পাগলামির কথা লিখে ফেলছি আর বাকি কিছু লিখে পাবনায় আপাতোত স্যাটেল হবার ইচ্ছে নেই 

তবে মাঝে মাঝে অনেক অনুভব করি সেই ছোটো বেলার দিন গুলো কে স্কুল ও যাবার থেকে স্কুল ও যাবার পথে আর আসার পথে যে মজা টা হত সেটার জন্য ই স্কুল এ যেতাম …………    ইচ্ছে করে আবার ছোটো হয়ে যেতে তাহলে মানুষের মাঝে পঙ্কিলতা আর কলুষতা আর দেখতে হত না ,আর ছোটোদের মন তো এমনিতেই পবিত্র ,আমি সেই পবিত্র মনে অধিকারী হতে চাই ………..